একজন রবীন্দ্রভক্তের বিশ্বভারতী দর্শন
স্বরোচিষ সরকার
স্বরোচিষ সরকার
জাহিদ আনোয়ার।। গুরুদেবের আশ্রম বিশ্বভারতী।
প্রকাশক:বিদ্যাসুন্দর, ২৯ শহীদ মামুন পৌর মার্কেট, কাছারী রোড, নওগাঁ ৬৫০০। প্রথম প্রকাশ: ২২ শ্রাবণ ১৪১৪, আগস্ট ২০০৭।।
প্রচ্ছদ: জাহিদ হাসান আজিজী। পৃষ্ঠা সংখ্যা ১৯২। মূল্য: দুই শত টাকা।
এক
খানিকটা প্রবন্ধ এবং খানিকটা ভ্রমণকাহিনী, এই দুই ধরনের শৈলীর সমন্বয় ঘটিয়ে জাহিদ আনোয়ার তাঁর ‘গুরুদেবের আশ্রম বিশ্বভারতী’ বইটি লিখেছেন। বইটি পড়তে গিয়ে আশরাফ সিদ্দিকীর ‘রবীন্দ্রনাথের শান্তিনিকেতন’ [১৯৭৪] বইটির কথা মনে হতে পারে। রচনাশৈলীর স্বাতন্ত্র্য ও সমম্বয়-বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় এর সঙ্গে প্রতিতুলিত হবার যোগ্য কেতকী কুশারী ডাইসনের ‘ভিক্টোরিয়া ওকাম্পোর সন্ধানে’। কুশারী তাঁর বইটি তৈরি করেছিলেন উপন্যাস ও প্রবন্ধের মেলবন্ধনে। আর জাহিদ আনোয়ার তাঁর বইটি নির্মাণ করেছেন ভ্রমণকাহিনী ও প্রবন্ধের সমন্বয় -প্রক্রিয়ায়।
‘গুরুদেবের আশ্রম বিশ্বভারতী’ বইয়ের মূল লক্ষ্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রতিষ্ঠিত বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাকৃতিক, অ্যাকাডেমিক মানবিক দিকসমূহকে পাঠকের নিকট তুলে ধরা। কিন্তু এই বইয়ের গঠন, উপস্থাপন ও ভাষা এমন এক আবহ তৈরি করে, একাধিক দিক দিয়ে যা উল্লিখিত লক্ষ্যকে ছাপিয়ে যায়। প্রকাশিত হয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতি লেখকের অপরিমেয় শ্রদ্ধা ও ভালবাসা। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষের সম্বন্ধ যে আত্মিক এবং অবিচ্ছিন্ন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের যাবতীয় কৃতি ও কীর্তি যে বাংলাদেশের মানুষেরও উত্তরাধিকার, সেটিও খুব স্পষ্টভাবে উঠে আসে।
বইটি উৎসর্গ করা হয়েছে রবীন্দ্রনাথের দুই কৃতী উত্তরসূরিকে : একজন অন্নদাশঙ্কর রায় এবং অন্যজন শামসুর রাহমান। রবীন্দ্রনাথের বুদ্ধিবৃত্তিক আদর্শ, যা একদিকে ছিলো বাংলাভাষীর অভিন্ন সত্তার অনুকূল, এবং একই সঙ্গে যা ছিলো বাঙালির বিশ্বনাগরিত্বের সহায়ক, সেই মহান আদর্শকে এই দুই মনীষী যথার্থ অর্থেই ধারণ করেছিলেন, তার প্রতিফলনও ঘটিয়েছিলেন তাঁদের অসাধারণ লেখনির মধ্য দিয়ে। রবীন্দ্রনাথের উপরে রচিত বই উৎসর্গিত হবার মতো এমন যোগ্য পাত্র আর হয় না।
বইটি মোট পাঁচটি অধ্যায়ে বিভক্ত। প্রথম অধ্যায়কে বইয়ের ভূমিকা হিশেবে বিবেচনা করা চলে। দ্বিতীয় অধ্যায়ের পরিসর বেশ দীর্ঘ। এই দীর্ঘ পরিসরের সূচনাটা ভ্রমণকাহিনীর মতো হলেও খানিকটা এগিয়ে তা গবেষণা-প্রবন্ধের চেহারা ধারণ করে। বিশেষত প্রমথনাথ বিশী এবং সমরেশ বসু বিশ্বভারতীকে কী চোখে দেখেছিলেন, লেখক তার সঙ্গে পাঠকের পরিচয় ঘটানোর চেষ্টা করেন। অধ্যায়ের সবচেয়ে বড়ো অংশে বিশ্বভারতীর দুই অংশ শান্তিনিকেতন এবং শ্রীনিকেতনের পথ-ঘাট, স্থাপনা, অ্যাকাডেমিক কর্মকাণ্ড, উৎসব-অনুষ্ঠান প্রভৃতির পুঙ্খানুপুঙ্খ বর্ণনা দেন। তৃতীয় ও চতুর্থ অধ্যায়ে ভ্রমণ-বিবরণ প্রাধান্য পায়। তবে এখানেও শান্তিনিকেতন সম্পর্কিত নানা ধরনের তথ্য লেখক তুলে ধরেন। প্রসঙ্গত তৃতীয় অধ্যায়ে যুক্ত হয় শান্তিনিকেতনের দুইজন প্রতিনিধি রবীন পাল ও সৌমেন সেনগুপ্তের সাক্ষাৎকার ! তবে বলে নেয়া ভালো সে সাক্ষাৎকারও উপস্থাপিত হয় অনেকটা গল্প বলার ভঙ্গিতে। পঞ্চম অধ্যায়টি অনেকটা পরিশিষ্টের মতো। অন্য অধ্যায়গুলোতে শান্তিনিকেতন ও শ্রীনিকেতন প্রতিষ্ঠায় যে সব মনীষীর অবদানের উল্লেখ করা হয়েছে, এই অধ্যায়ে সেই সব মনীষীর সংক্ষিপ্ত জীবনকথা পরিবেশন করা হয়। গ্রন্থের মধ্যে মোট ষোলটি আলোকচিত্র মুদ্রিত হয়েছে। আলোকচিত্রগুলো রঙিন এবং তা বিশ্বভারতীর বিভিন্ন স্থাপনা, ভাস্কর্য ও অনুষ্ঠানের। এগুলো গ্রন্থটির ব্যবহারযোগ্যতা যেমন বাড়ায়, পাশাপাশি তা বিশ্বভারতীকে পাঠকের নিকট প্রায় চাক্ষুষ করে তোলে। এছাড়া সবশেষ পৃষ্ঠায় শান্তিনিকেতন ও শ্রীনিকেতনের একটি মানচিত্র রয়েছে, যা উল্লিখিত স্থানের বিভিন্ন স্পট সম্পর্কে পাঠকের ধারণা পূর্ণতা পেতে সহায়ক হয়।
দুই
বিশ্বভারতীকে লেখক অভিহিত করেন ‘আত্মশুদ্ধির মহাতীর্থ’ নামে। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিশ্বভারতীর এই তফাত তিনি ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করেও বোঝানোর চেষ্টা করেন। বস্তুত পুরো বই জুড়ে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে লেখকের সে চেষ্টা অব্যাহত থাকে। কখনো বলেন, শান্তিনিকেতনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এখানকার শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশের পক্ষে অত্যন্ত অনুকূল। অত্যন্ত চঞ্চল মনকে যেমন এখানকার প্রকৃতি প্রশান্ত করে আবার সেই একই প্রকৃতি নির্জীব মনকেও প্রাণবন্ত করে তুলতে পারে। এখানকার শিক্ষকগণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বন্ধুসুলভ আচরণ করেন, লেখক তার উদাহরণ দেন। এমনকি এখানকার শিক্ষার্থীরা তাঁদের শিক্ষকদের দাদা নামে যেভাবে সম্বোধন করে থাকেন, সেটাকেও লেখক ইতিবাচক হিশেবে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেন। এখানকার ছাত্রছাত্রীরা রাত এগারোটা পর্যন্ত নির্দ্বিধায় ঘোরাফেরা করতে পারে দেখে লেখকের যে স্বস্তি তাতে বোঝা যায়, লিঙ্গনির্বিশেষ শিক্ষার্থীদের এমন অভয় অবস্থাই শিক্ষার সুস্থ পরিবেশের জন্য জরুরি, লেখক তা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন। লেখকের দৃষ্টি বিশেষভাবে আকৃষ্ট হয় বিভিন্ন উৎসব-অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখে। এমনকি অনুষ্ঠানের জন্য শিক্ষার্থীদের মহড়া অনুষ্ঠানও লেখকের মনোযোগ আকর্ষণ করে এবং এই ধরণের পরিবেশকে তিনি আদর্শ শিক্ষার জন্য অত্যাবশ্যকীয় বিবেচনা করেন। এই এলাকার মানুষের সততাও লেখককে মুগ্ধ করে। কখনো কখনো বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে প্রাণের স্পর্শযুক্ত এই শিক্ষাব্যবস্থার তুলনা করে দেখাতে চেষ্টা করেন লেখক। শিক্ষকদের বেতনের বিষয়টিও লেখকের দৃষ্টি এড়ায় না। বিশ্বভারতী এলাকায় একজন প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষকের বেতন শুনে তিনি চমকে ওঠেন, একই সময়ে তাঁর মনে হয় উপযুক্ত শিক্ষা নিশ্চিত করতে হলে শিক্ষকদের বেতন-কাঠামো এমনটাই হওয়া উচিত, যা বাংলাদেশে অনুপস্থিত।
লেখকের যে ভ্রমণ-অভিজ্ঞতা বইটিতে প্রতিফলিত তার সময়কাল প্রায় এক দশক। ভূমিকাতেই লেখক জানান যে, ১৯৯৯ সাল থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত নয় বছরের মধ্যে তিনি সাত বার বিশ্বভারতীতে ভ্রমণ করেছেন এবং এর মধ্যে তিন বার ভ্রমণের অভিজ্ঞতা বইটিতে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। সাল তারিখের দিক দিয়ে তিনবারের এই তথ্য হয়তো গ্রহণযোগ্য। কিন্তু এই ধরনের একটি বই লিখতে এবং এই ধরনের বইয়ের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ নিঃসন্দেহে লেখক তাঁর নয় বছরের ভ্রমণ-অভিজ্ঞতার পুরোটাই কাজে লাগিয়েছিলেন। তাই অনেক তারিখ এখানে পাওয়া না গেলেও তা আন্দাজ করতে খুব একটা বেগ পেতে হয় না। বিশেষভাবে এখানকার যেসব তরুণ-তরুণীর সঙ্গে লেখকের ঘনিষ্ঠতার যে বিবরণ গ্রন্থটিতে রয়েছে, তা দু-এক বছরের সাময়িক ভ্রমণের ফলে হয় না, হওয়ার কথা নয়। বিশেষভাবে যে তরুণীদ্বয় লেখককে বড়ো ভাইয়ের মতো ভালোবাসে এবং বিদায় দিতে এসে কেঁদে সারা হয়, একাধিক বছরের সংসর্গকেই তা নির্দেশ করে। এছাড়া নিরঞ্জন চক্রবর্তী বা রবীন পালদের সঙ্গে লেখকের যে সম্পর্ক বইটিতে প্রতিফলিত, তাও দু-এক বছরের সম্পর্ক বলে হয় না। এসব বিবেচনায় এ কথা নির্দ্বিধায় বলা যায়, মাত্র তিন বছরের উল্লেখ গ্রন্থটিতে থাকলেও জাহিদ আনোয়ার তাঁর দীর্ঘ সাত বছরের অভিজ্ঞতার কথা বইটিতে উপস্থাপন করেছেন। শান্তিনিকেতন সম্পর্কে এতো খুঁটিনাটি তথ্য সংগ্রহ করতেও তাঁকে অন্তত তিন বারের বেশি বিশ্বভারতীতে যেতে হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান চালাতে হয়েছে। শুধু উৎসবের সময়ে এসে চলে গিয়ে বই লেখার মতো পর্যাপ্ত তথ্য সংগ্রহ করা যে সম্ভব নয়, তা সহজেই বোধগম্য।
বইটিতে যেসব তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, তার মধ্যে অনেকগুলো কোনো না কোনো বইয়ে আছে। কিন্তু সেগুলোকে একত্র করে এক জায়গায় নিয়ে আসা মোটেই সহজ কাজ নয়। এছাড়া সামান্য বিবেচনায় অনেকের নিকটে গুরুত্বহীন কিছু তথ্যও বইটিতে উপস্থাপিত হয়েছে, যা খ্যাতিমান লেখকদের নিকট সামান্য মনে হলেও, লেখক জাহিদ আনোয়ারের কাছে যেমন মূল্যবান, অনেক পাঠকের নিকটেও তা অসামান্য মনে হবে। এ ধরনের দু-একটি তথ্য, যেমন আবাসিক হোটেলে পৌঁছানোর আগেই রিকশা বিদায় করার সকারণ ঘটনা, বিশ্বভারতী এলাকার মধ্যে অবৈধ স্থাপনা ও স্বল্প খরচে থাকা-খাওয়া ব্যবস্থা, পশ্চিমবঙ্গের অধিকাংশ মানুষের মনে বাংলাদেশ সম্পর্কে এক ধরনের আবেগকাতর নস্টালজিক মনোভাব, খেলার মাঠের দক্ষিণ-পুব প্রান্তে হাতিপুকুর এলাকার ভাস্কর্য ও মিথ, অথবা ধরা যাক স্টেশনের নিকটবর্তী সাইকেল-স্ট্যান্ড এবং তার ফলে এক পক্ষের অর্থ সঙ্কুলান এবং এক পক্ষের জীবিকার উপায়।
‘অবলুপ্ত গৃহ’ শিরোনামে গ্রন্থটির একটি পরিচ্ছেদ খুবই ব্যতিক্রমধর্মী। এ জাতীয় গ্রন্থে সাধারণত স্থির অবস্থার বর্ণনা করা হয়ে থাকে। কিন্তু একটি পরিচ্ছেদে জাহিদ আনোয়ার লুপ্ত স্থাপনাসমূহের যে বিবরণ দেন, তা একদিকে যেমন পরিশ্রমী, অন্যদিকে তা পাণ্ডিত্যপূর্ণও বটে। চায়ের দোকানঘরসহ এ ধরনের ২৩টি লুপ্ত স্থাপনা বইটিতে বর্র্ণিত হয়েছে। স্থিত স্থাপনার বিবরণ দেওয়া অনেকটা সহজ, কারণ তা চোখে দেখা যায়, তাই মেপে তার বিবরণ দেওয়া কঠিন হয় না। কিন্তু যেসব স্থাপনা লুপ্ত হয়ে গেছে, সেগুলোর অস্তিত্ব উপস্থাপনা করা যে কতো কঠিন কাজ, একমাত্র ভুক্তভোগী গবেষকই তা বুঝতে পারবেন। লেখক শুধু লুপ্ত স্থাপনাগুলোর বর্ণনা দিয়েই ক্ষান্ত হন, তাই নয়। বিশেষ কী কী অনুষ্ঠান ও উপলক্ষে এই সব স্থাপনার সঙ্গে যুক্ত, সেগুলোর কথা লিখতেও তিনি ভুুল করেন না। বিবরণের ধরন দেখে বোঝা যায় প্রাথমিক ও সহায়ক সব ধরনের উপকরণের সাহায্য নিয়েই লেখককে এই অংশ রচনার কাজ সম্পন্ন করতে হয়েছে।
তিন
একটি বিষয় খানিকটা সেকেলে মনে হতে পারে, আর তা হলো: রবীন্দ্রনাথকে গুরুদেব নামে সম্বোধন। এই ধরনের সম্বোধনের মধ্যে এক ধরনের অন্ধ ভক্তির ভাব মিশে থাকে। শান্তিনিকেতনে ব্রহ্মচর্যাশ্রম প্রতিষ্ঠার সময়ে ব্রহ্মবান্ধব উপাধ্যায় রবীন্দ্রনাথকে এই অভিধায় চিহ্নিত করার পর থেকে এটি চালু হয়। প্রাচীন ভারতীয় একজন সন্তের মতো করে তিনি রবীন্দ্রনাথকে ভক্তিভাজন ও পূজনীয়ভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু রবীন্দ্রনাথের যে আদর্শ একুশ শতকের তরুণ প্রজন্মকেও আকৃষ্ট করে, তা ঐ ভক্তিভাজন বা পূজনীয় মূর্তি নয়, তা হলো রবীন্দ্রনাথের মানবিক, আন্তর্জাতিক ও যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার আদর্শ। তাছাড়া আশ্রম বলতে যা বোঝায়, তার মধ্যে আপাতদৃষ্টিতে আপত্তিকর কিছু হয়তো নেই, কিন্তু আশ্রমের অনুষঙ্গে এমন কিছু রক্ষণশীল আদর্শ লুকিয়ে আছে, যা সমাজসচেতন পাঠকের নিকট ততোটা প্রিয় মনে না ও হতে পারে।
জাহিদ আনোয়ারের ভাষা খুব সুন্দর এবং ঝরঝরে। ছোট ছোট বাক্যে তিনি তাঁর কথামালাকে খুব সুন্দরভাবে সাজিয়ে যান। যতিচিহ্নের ব্যবহারও চমৎকার। লেখার মধ্যে কোনো অস্পষ্টতা নেই, দ্ব্যর্থবোধকতা নেই। বড়ো বড়ো জটিল বাক্যে কথা গুলিয়ে ফেলার চেষ্টা নেই, অধিকাংশ লেখায় যা হামেশাই চোখে পড়ে। এমনকি মফস্বল থেকে প্রকাশিত একটি বইয়ে মুদ্রণপ্রমাদ ও বানান-ভুলের সংখ্যা এতো কম যে বিশ্বাসই হতে চায় না, নওগাঁর মতো একটি শহর এ বইয়ের জন্মভূমি।


0 comments:
Post a Comment